ওটস খাওয়ায় যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন

homemade granola 1

মেদ ঝরানোর জন্য ওটমিল বেশ কার্যকর। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার ও নানা ধরেনর খনিজ উপাদান রয়েছে। পাশাপাশি ওটসে ক্যালোরি থাকে না একেবারেই। ফলে বাড়তি মেদ থেকে মুক্তি পেতে সকালের নাস্তায় এক বাটি ওটমিল খাওয়ার বিকল্প নেই। তবে উপকারী খাবারটি খেলেই যে দ্রুত ওজন কমে যাবে এমন নয়। এই খাবার খাওয়ার সময়ে মানতে হবে কিছু নিয়ম। জেনে নিন ওটস খাওয়ার সময় কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন।

  • ওটমিল খাওয়ার সময় চিনি মেশাবেন না। মিষ্টি স্বাদ আনতে চাইলে মধু, ম্যাপল সিরাপ বা মিষ্টি ফল মেশাতে পারেন।
  • বাজারে তিন ধরনের ওটস পাওয়া যায়। স্টিল কাট ওট‌স, রোলড ওট‌স এবং ইনস্ট্যান্ট ওট‌স। ওজন ঝরাতে চাইলে স্টিল কাট ওট‌স কেনাই সবচেয়ে ভালো। কারণ এতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে।
  • ওটস স্বাস্থ্যকর বলেই বেশি পরিমাণে খেতে যাবেন না।
  • ফ্লেভারযুক্ত ওটস খাবেন না। এগুলোতে কৃত্রিম উপকরণ ও চিনি থাকে।
  • ওজন ঝরাতে চাইলে টক দই বা দুধ মিশিয়ে ওটস খান। ওটমিল দিয়ে তৈরি খিচুড়ি বা বিস্কুট খেতে সুস্বাদু হলেও তা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়ক নয়।
  • শর্করাযুক্ত সব খাবারেই রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ পাওয়া যায়। কিন্তু রান্না করা খাবারের পরিবর্তে ঠান্ডা স্টার্চযুক্ত খাবারে এটি ভরপুর মাত্রায় থাকে। রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ একটি প্রাকৃতিক কার্বোহাইড্রেট, যা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। ওজনও কমায়। তাই রাতে ও‌টস ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খেলে ওজন ঝরার প্রক্রিয়া তরান্বিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *